taxi driver
চলচ্চিত্র

Movie: Taxi Driver (1976) – মো: ফরহাদ সোবাহানী সোহান

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিনেমা কি আসলে? বর্তমানে সিনেমা মানে বিনোদন। কর্মব্যস্ত সাধারণ মানুষ দিন শেষে বা ছুটির দিনে বিনোদনের উদ্দেশ্যে সিনেমা দেখতে পছন্দ করে। গত কয়েকদশক ধরেই সিনেমার সংস্কৃতি এমন। পূর্বে সিনেমা সকলের জন্য ছিলো না। বিশেষ শ্রেণীর, বিশেষ লোকজন এ সিনেমা দেখতো। এখন ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইটের যুগে সিনেমা বেশ সহজলব্ধ। আর সিনেমাকে আরো সহজলব্ধ এবং আরো মানুষের কাছে পৌছানোর চেষ্টায় এখন শিল্পরূপ বর্জিত হচ্ছে। চিত্রনাট্য হচ্ছে অগভীর, স্থূল এবং তার সাথে চরিত্রগুলোও। মারভেল এবং ডিসির সুপারহিরোর যুগ এখন। কিন্তু সিনেমা এক গুরুত্বপূর্ণ শিল্প মাধ্যম। কারণ একটা সিনেমার কাহিনী আমাদের জীবনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলে। এইরকমই এক সিনেমা হচ্ছে Taxi Driver (1976)।

মার্টিন স্করসেজি পরিচালিত Taxi Driver (1976) একটি অনন্য, অসাধারণ সিনেমা। চিত্রনাট্যকার পল শ্রেডারের আসাধারণ চিত্রনাট্য, যাতে প্রাণ দিয়েছে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। ৩১ বছর বয়সী মার্টিন স্করসেজি নিজেকে একজন অভিজাত পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এ সিনেমার মাধ্যমে। রবার্ট ডি নিরো তখন একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা কিন্তু এ সিনেমা তাকে সেরাদের তালিকায় নিয়ে যায়। চিত্রগ্রাহক মাইকেল চ্যাপম্যান আমেরিকার চলচিত্রে নিউ ওয়েবের সূচনা করেন। তাছাড়া ১২ বছর বয়সী জডি ফোস্টার বেশ সাহসী এবং অতিসমালোচিত চরিত্রে অভিনয় করেও নিজেকে হলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেন। যদিও অস্কারে এ সিনেমার সাথে ৪টি মনোনয়ন ছাড়া আর কিছুই নেই। কিন্তু এ সিনেমার প্রভাব ২০১৯ সালের Joker সিনেমাতে পরিলক্ষিত হয়। তাহলে কিভাবে এ সিনেমা এত প্রভাব সৃষ্টি করলো? শুরু করা যাক চিত্রনাট্য থেকে। 

# সিনেমার চিত্রনাট্য কি?
=> ট্র্যাভিস বিক্কেল একজন ২৬ বছর বয়সী হতাশ যুবক যে নিউইয়র্ক শহরে একাকী বসবাস করছে। সে ভিয়েতনাম যুদ্ধ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রাক্তন মেরিন অফিসার। অনিদ্রা মোকাবেলার জন্য সে সারারাত ট্যাক্সি চলায়। তার পর্ণ থিয়েটারে যাতায়াত নিয়মিত ছিল এবং তার একটি ডায়েরি ছিল যেখানে সে নিজের বাণী লিখতো।
সে বেটসি নামক এক প্রেসিডেন্সিয়াল প্রচার সেচ্ছসেবকের প্রতি মোহিত হয়। সে বেটসির অফিসে গিয়ে একজন সেচ্ছাসেবক হওয়ার বাহানায় বেটসির সাথে কথা বলে এবং বেটসিকে কফির জন্য আমন্ত্রণ জানায়। বেটসি ট্রাভিসের সাথে যায় এবং তার সাথে আরেকদিন বের হওয়ার জন্য রাজি হয়। আরেকদিন ট্র্যাভিস বেটসিকে পর্ণ থিয়েটারে নিয়ে যায়। বিব্রত বেটসি সেখান থেকে বের হয়ে যায় এবং ট্র্যাভিসের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। রাগে ট্রাভিস আবার বেটসির অফিসে যায় এবং বেটসির মুখোমুখি হয়। বেটসির সাথে ট্র্যাভিসের কথা কাটাকাটি হয় এবং বেটসিকে ট্র্যাভিস ঠিক সবার মতো বলেই সম্বোধন করে।
নিউইয়র্ক শহরের নোংরামি, বিশৃঙ্খলা, দূর্নীতি দেখে ট্র্যাভিস বিতৃষ্ণা অনুভব করে এবং এর মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়। আবার ১২ বছর বয়সী এক পতিতা আইরিসের সাথে তার দেখা হয় এবং ট্র্যাভিস আইরিসকে মুক্ত করে দেয়ার স্বপ্ন দেখে। আবার ট্র্যাভিস নিজের অস্তিত্বের ছিটেফোঁটা রেখে যেতে চায়। তাই সে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন প্রাপ্ত চার্লস প্যালেন্টাইনকে খুন করার পরিকল্পনা করে। ট্র্যাভিস নিজেকে শারিরীক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে এবং সে প্যালেন্টাইনের সকল র‍্যালির তদারকি করে একটা প্ল্যান করে।
যেদিন প্যালেন্টাইনকে খুন করার পরিকল্পনা হয় সেদিন ট্র্যাভিস প্যালেন্টিনের এক র‍্যালীতে উপস্থিত হয়। সে ছদ্মবেশে উপস্থিত হয় যাতে তাকে কেউ না চিনতে পারে। সে প্যালেন্টাইনকে গুলি করবে ঠিক এমন মুহূর্তে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে দেখে ফেলে এবং তাকে ধাওয়া করা শুরু করে। ট্র্যাভিস সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তারপর সে আইরিসের পতিতালয়ে যায়। সেখানে গিয়ে আইরিসের দালাল স্পোর্টকে সে গুলি করে। তারপর পতিতালয়ের ভিতরে গিয়ে গোলাগুলি করে এবং আইরিসকে সে মুক্ত করে।
আহত ট্রাভিস কিছুদিন কিছুদিন কোমায় থাকে। সংবাদ মাধ্যমগুলো তাকে বীর ভিজিল্যান্ট আখ্যা দেয়। সে আইরিসের পিতার কাছ থেকে ধন্যবাদ চিঠি পায়। ট্র্যাভিস আবার কাজে ফিরে যায়। একদিন প্যাসেঞ্জার হিসেবে তার বেটসির সাথে দেখা হয়। সে বেটসিকে তার ঘরে পৌছে দেয় এবং বেটসির কাছ থেকে কোনো ভাড়া নেয় না। ট্র্যাভিস সেখান থেকে চলে যায়। চলে যাওয়ার সময় সে গাড়ির পিছনের আয়নায় কিছু একটা দেখা আবার বিচলিত হয়ে পড়ে।

#কোথা থেকে চিত্রনাট্য অনুপ্রাণিত হয়?
=> পল শ্রেডারের এই চিত্রনাট্য অনেক সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। আর্থার ব্রিমারের ডায়েরি তাকে বেশ অনুপ্রাণিত করে। আর্থার ব্রিমার ১৯৭২ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জর্জ ওয়ালেসকে গুলি করে। এই আর্থার ব্রিমারের ডায়েরি পড়ে পল শ্রেডার ট্র্যাভিস চরিত্রের মূল স্তম্ভ তৈরি করেন। তাছাড়া নিউইয়র্ক শহরের জীবনের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে পল শ্রেডার কিছু কাহিনী খুঁজে পান। পল শ্রেডার তখন তালাক নিয়ে একাকি জীবনযাপন করছিল। তখন সে নিজেও পর্ণ থিয়েটারে আসত্ত হয়। সে একাকী গাড়ি নিয়ে শহরে ঘুরাফেরা করতো। তাছাড়া যেকোনো কাহিনীর পিছনে একটা দর্শন থাকা জরুরী। দর্শনটার হচ্ছে অস্তিত্বের প্রশ্ন। এইখানে পল সাত্রের Nousea তাকে বেশ অনুপ্রাণিত করে।
# কিভাবে প্রোডাকশন হয়?
=> এই ফিল্মের বাজেট ছিল ১.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেট তৈরি, স্পেশাল এফেক্ট এগুলার ব্যবহার ছিল অনেক। তবুও বেশির ভাগ শুটিং হয়েছে নিউইয়র্ক এর রাস্তায়। কিছু কিছু সেট ঠিক নিউইয়র্ক শহরের আদলে তৈরি করা হয়েছে। এইখানে অনেক ক্ষেত্রেই ট্যাক্সি থেকে শহরের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। যাতে আমরা দর্শক হিসেবে একজন ট্যাক্সি চালকের সাপেক্ষে ঘটনাগুলো দেখি। পরিচালক মার্টিন স্করসেজি এই ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করেছেন। তাছাড়া এইখানে ঘটনা পুরোপুরি ট্র্যাভিসের সাপেক্ষে আমরা অনুভব করি। এইখানে ট্রাভিস যা দেখছে আমরাও তা দেখছি, ট্র্যাভিস যা বলছে আমরাও তা বলছি। সে ক্ষেত্রে অনেকাংশে দেখা যায় ট্রাভিস যা ভাবছে আমরাও তা ভাবছি। একজন পরিচালক হিসেবে এইটা মার্টিন স্করসেজি অর্জন করতে চেয়েছেন এবং পেরেছেন। যেমনঃ যখন বেটসি বিব্রত হয়ে ট্র্যাভিসের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, তখন দর্শক হিসেবে ট্র্যাভিসের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগে। যদিও ট্র্যাভিস একটা জঘন্য কাজ করেছে। কিন্তু আমরা কেনো যেন বুঝতে পারি যে এইটা তার ইচ্ছাকৃত না বা ট্র্যাভিসের কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। এইটা গল্প দেখানোর ধরণের কারণে আমাদের এমন মনে হয়। তাছাড়া ট্রাভিস বেটসিকে একজন পরীর মতো কল্পনা করে। বেটসিকে তার এত্তো পবিত্র মনে হয় যে তার কাছে মনে হয় কেউ বেটসিকে ছুঁতে  পারবে না। দর্শক হিসেবে তাই আমরাও কাছাকাছি অনুভব করি। আবার যখন ট্র্যাভিস প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে খুন করার প্ল্যান করে, আমরাও ট্রাভিসের সাথে যুক্ত হই দর্শক হিসেবে। আমরা নিজেদের ভিন্ন করতে পারি না। এর কারণ হচ্ছে আমরা এখন ট্র্যাভিস। পরিচালক আমাদের দর্শকদের ট্র্যাভিসের জায়গায়তেই আনতে চেয়েছিলেন যা তিনি সফলভাবে পেড়েছেন  তার গল্প বলার ধরণের মাধ্যমে। 

# কিভাবে চিত্রগ্রহণ করা হয়েছে?
=> ৭০ এবং ৮০র দশকে আমেরিকান সিনেমার চিত্রে যে New Wave ফুটে উঠে, তার শুরু হয় এই সিনেমার মাধ্যমে। তখনকার অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত নিউইয়র্ক শহরে বেকার ছিল অনেক। শহরে ছিল বিশৃঙ্খলা, নস্টামি। অন্ধকার না হতেই রাস্তাঘাট পতিতা এবং তাদের দালালে ভরে যেতো এবং সারারাত দেখা যেত বিভিন্ন দূর্ঘটনা। ট্র্যাভিসের শহরের অবস্থা নিজের ট্যাক্সির পিছনের সীটের মাধ্যমে প্রতীকীভাবে বলে। সে বলে তার পিছনের সীট পরিস্কার করতে গিয়ে সে মাঝে মাঝে দেখে বীর্য, মাঝে মাঝে রক্ত। দিনেরবেলা শহর আবার সুন্দর ভদ্র হয়ে যায়। মাইকেল চ্যাপমান রাতের শহরের চিত্র ভাইব্রেন্ট কালার যেমনঃ লাল, নীল আলোর আভার মাধ্যমে গ্রহণ করেছেন। এই রঙগুলো রাতের পরিবেশকে নোংরা করেছে। যা আমাদের মধ্যে একটা বিতৃষ্ণতা ঘরে তুলে। কিন্তু দিনের চিত্রগ্রহণ বেশ তীক্ষ্ণ ও সুন্দর, যা আমাদেরকে এমন অনুভব দেয় যে এখন সব ঠিক আছে। আবার ট্র্যাভিসের রুমে যখন আমরা যাই, তখন চিত্রে তীক্ষ্ণতা কমে আসে এবং একটা বিশৃঙ্খলার অনুভব দেয়। চিত্রগ্রহণ এ গল্প বলায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

#কিভাবে চরিত্র তৈরি হয়?
=> রবার্ট ডি নিরো ট্রাভিসের ভূমিকায় অভিনয় করেন। অভিনেতা হিসেবে রবার্ট ডি নিরো অনেক মেধাবী এবং অত্যন্ত মাধুর্যমণ্ডিত। চরিত্র ধরতে পারা খুব সহজ ব্যাপার না। অনেকে চরিত্র ধরার জন্য মেথোড এক্টিং পদ্ধতির সাহায্য নেয়। তিনি ও তাই করেছিলেন। তিনি সারারাত নিউইয়র্ক সহজে ট্যাক্সি চালিয়েছেন। চরিত্রর আগে পিছে নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। চরিত্র কথা কিভাবে বলবে, কিভাবে হাঁটবে, দেখতে কেমন হবে সবই তিনি ও পরিচালক মার্টিন স্করসেজির সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে। যেহেতু সিনেমার গল্পটা চরিত্রকেন্দ্রিক সেহেতু অভিনেতার গুরুত্ব গল্প বলা এবং সর্বোপরি সিনেমা হয়ে উঠার ক্ষেত্রে বেশ দরকারি ছিল। রবার্ট ডি নিরো তা অত্যন্ত সফলভাবে করছেন। চরিত্রটির মধ্যে যে বিচলন, যে অস্থিরতা, যে বিতৃষ্ণা তা পদে পদে দেখা যায়। চরিত্রটির কাহিনীর মধ্যে রূপান্তর ঘটে খুবই সূক্ষ্মভাবে। যা আমরা দেখতে পাই আয়নার সামনে অভিনীত এক আইকনিক দৃশ্যের মাধ্যমে। মূলত অভিনয় এই গল্প বলায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে। ট্যাভিসের সাথে আমাদের যাত্রা সফল হয়েছে একমাত্র রবার্ট ডি নিরোর অসাধারণ পারফর্মেন্স এর মাধ্যমে। 


#ছবিটি দেখা কেন গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি?
=> আমরা যারা সিনেমা দেখি তারা সাধারণত শুধুমাত্র শখের বসে দেখি। সিনেমা থেকে আমরা কোনো নির্যাস নিতে চাই না। কারণ সিনেমার সাথে আমাদের জীবনের কোনো মিল নেই। আর সেই আমেরিকার ১৯৭৬ সালের থেকে আমরা কি নির্যাস নিবো! কিন্তু নেয়ার অনেক কিছু আছে। জায়গা ভিন্ন, কথা ভিন্ন, চরিত্র ভিন্ন কিন্তু ঘটনা একই। অস্তিত্বের প্রশ্নে মুখোমুখি হওয়া জরুরী। আসলে আমাদের অস্তিত্ব কোথায়! আমাদের সবারই মনে হয় জীবনে কিছু একটা হয় নি করা। কিছু একটা বাকি রয়ে গেছে। জীবনে একের পর এক ধাপে আগাচ্ছি, কিন্তু নিজেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হয়তো মসজিদে, হয়তো মন্দিরে, হয়তো প্যাগোডায় গিয়ে ঈশ্বরের মাঝে নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজেছি এবং বিশ্বাস করেছি অস্তিত্ব আছে। ইহকালে না পারলেও পরকাল আছে। কিন্ত পরকালের লাভ আমাদের লোভে পরিণত হয় আর আমরা সঠিক কাজ করি না, যা আমাদের ইহকালেই করা উচিত। এ সিনেমায় ট্র্যাভিস চরিত্র নিজের অস্তিত্ব খুঁজছে। সে খুন করেছে, কিন্তু এক ১২ বছরের পতিতা যে শহরের কোনায় ধুঁকে ধুঁকে মরছিল তাকে উদ্ধার করেছে। এতে তার অস্তিত্ব তৈরি হয়েছে। সে এখন বাঁচার লক্ষ্য খুঁজে পায়। পরিণতি তার অন্যরকম হতে পারতো। একজন বীর না হয়ে একজন ভিলেন হতে পারতো। যদি সে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে খুন করতে সফল হতো। আসলে কে বেশি খারাপ। এইটা বিচার করবে কে। ঐ সমাজে সবাই ট্র্যাভিসের কাছে এক রকম। সে নিজেও সবার মতো। তাই তার অস্তিত্ব সে খুঁজে পায় না। আমাদের সমাজ যে পথে আগাচ্ছে, ঘরে ঘরে এইরকম ট্যাভিস গড়ে উঠার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু এই চরিত্রগুলো গড়ে উঠা সমাজের জন্য ভালো না। কারণ আমরা কেউই চাই না রক্তক্ষরণের মাধ্যমে সমাজ আবার ঠিক হোক। তার চেয়ে নিজের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কিছু ভালো কাজ করা উচিত। হয়তো উচিত কথা বলা, উচিত কাজ করা, এইটাই তৈরি করবে আমাদের অস্তিত্ব।  


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *