lifeless thoughts about love
কবিতা

লাইফলেস থটস এবাউট লাভ – শ্রী অভীক চন্দ্র তালুকদার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শুধু জীবনানন্দের নাম নিয়ে লেখা হয়ে গেলো কতোশতো কবিতা, 

শুধু কানকাটা ভ্যান গগের আঁকা রাত্রি নিয়ে, আঁকা হলো আরো কতো তারাচ্ছন্ন রাত্রি- 

কিন্তু প্রিয়তমা, 

তোমার ঠোঁট নিয়ে আমার যে কোন কবিতা লেখা হল না-

তোমার কপাল নিয়ে কই আঁকা হল কোন আকাশ! 

এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লো, 

এলাকার মোড়ে,

চায়ের দোকানে, 

ঝালমুড়ি মোড়ানো খবর কাগজে!

কিন্তু লেখা হল না আমাদের প্রেম 

বড় ছোট মিক্স ফ্রন্টে অথবা নোংরা আলাপে! 

আমরা এমন বিস্মৃত হলাম কবে? 

জীবনানন্দের প্রেম ছিল কিন্তু হয়তো প্রেম কাছে ছিল না, পাশে ছিল না, 

বা এসব আসলে নিছক কল্পনা, 

গগের পাশে কেউ ছিল না, প্রেম ছিল না, বন্ধু ছিল না বা হয়তো ছিল,

সে জানতো না!

কিন্তু আমি জানি তুমি আছো ,

একটা সাদা ক্যানভাসে অদৃশ্য কালিতে আঁকা হলেও তুমি আছো,

আমি তোমাকে ঠিক দেখছি, ভালোবাসছি, প্রেমে পড়ছি।

কিন্তু তারা দেখছে না কেন? 

আমাদের প্রেমের চর্চা আর হচ্ছে না, কেন?

হয়তো ট্রাম অথবা জীবনানন্দ নিজে জীবনানন্দের প্রাণ নিয়েছে,

লোকে নানাবিধ কথা বলে এ নিয়ে!

কিন্তু আসল ঘটনা জানে শ্রী জীবনানন্দ দাশগুপ্ত! 

গগকে ছেলেগুলো গুলি করেছিল অথবা নিজেই নিজেকে গুলি করেছিল গগ- 

তা জেনে তার বন্ধুর কষ্ট লেগেছিল

তার ভাই কেঁদেছিল 

কিন্তু আসল ঘটনা কে জানতো?  তার কাটা কান?  নাকি গগ নিজে? 

লোকে হয়তো জানতো, কে জানে!

আমি তোমাকে ভালোবাসি প্রিয়তমা,

তুমি আমাকে ভালোবাসো , আমরা পরস্পর তা জানি। 

আমাদের কবিতা গান পেইন্টিং কোথায় লুকানো আছে, আমরা জানি।

মরে যাওয়ার বিশুদ্ধ মানে হল ভালোবাসা ।

আমার কষ্ট হয় ভেবে, তুমি হয়তো নও দৃশ্যমান ?

এদিকে আমাদের গ্রামে আর কোনো কুয়ো নেই অবশিষ্ট, 

আমি তোমায় নিয়ে ডুবে যেতে চাই একটা কুয়োয় অনন্তকাল ধরে 

আস্তে আস্তে আস্তে 

একটা দেশি সানাইয়ের মতন সুরে! 

একটা তারাচ্ছন্ন পূর্ণিমার রাত্রে একত্রে!

যেখানে দূর থেকে কেউ দেখবে কিন্তু কাছে আসবে না, জানতে চাইবে না-

‘কে মরে ডুবে ওইখানে, অন্ধ প্যাঁচারাও আজকাল চোখে দেখে নাকি?’ 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Similar Posts

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *